গোপালগঞ্জে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে জারি করা কারফিউ রোববার (২০ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে শিথিল করা হয়েছে। তবে একই সময় থেকে জেলায় জারি করা হয়েছে দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা, যা চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
কারফিউ শিথিল
ঢাকাসহ চার জেলায় কারফিউ শিথিলের সময় ১৫ ঘণ্টা করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে না।রোববার (৪ আগস্ট) থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি অনুযায়ী কারফিউ শিথিল থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবারও কারফিউ থাকছে ঢাকায়। তবে এদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। তবে এই সময়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী তাদের কাজ চলমান রাখতে পারবে। তবে শনিবার ছুটির দিন থাকায় বেশির ভাগ অফিসই তাদের নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে।
দেশের পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় কারফিউ শিথিলের সময় আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার (৩১ জুলাই) থেকে আগামী চার দিন কারফিউ শিথিল থাকবে ১৩ ঘণ্টা। ঢাকাসহ চার জেলায় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সন্ধ্যা আইন শিথিল থাকবে।
খুলনায় জারি করা কারফিউ ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টা থেকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে কারফিউ।
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে রোববার ও সোমবারের মতো মঙ্গলবারও (৩০ জুলাই) ১১ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে। এদিন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। এরপর বিকেল ৬টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত চলমান কারফিউ বলবৎ থাকবে।
চট্টগ্রামে আজ সোমবার ও মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুইদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১৬ ঘণ্টা করে কারফিউ শিথিল থাকবে।
রাজধানী ঢাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে জারি করা কারফিউ আজও ১১ ঘণ্টা শিথিল থাকবে। এদিন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।সোমবার (২৯ জুলাই) ১১ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে। একই সঙ্গে বিকেল ৬টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত চলমান কারফিউ বলবৎ থাকবে।
রাজধানী ঢাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে জারি করা কারফিউ আজ ১১ ঘণ্টা শিথিল থাকবে। এদিন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে গত ১৯ জুলাই মধ্যরাত থেকে দেশব্যাপী কারফিউ জারি করে সরকার।